করোনা মহামারী মেকাবেলায় তরুণদের সম্পৃক্ত করল রবি ও এটুআই

১৯ এপ্রিল, ২০২০ ১৯:০৮  
দেশের চলমান করোনা মহামারী মোকাবেলায় তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে ‘আইডিয়া ফর গুডনেস’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে রবি এবং আইসিটি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম। ধারণা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল। তাই তরুণদের ধারণা জমা দেয়ার জন্য বাড়ির বাইরে যেতে হবে না। শুধু নিজস্ব ধারণাটির একটি ভিডিও রেকর্ড করতে হবে (সর্বোচ্চ তিন মিনিট)। এরপর ভিডিওটি #আইডিয়াফরগুডনেস #রবি #এটুআই (#Ideaforgoodness #Rob #a2i) হ্যাশট্যাগ দিয়ে তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুক/ইউটিউব/টুইটার প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করতে হবে। ভিডিওটি অবশ্যই সকল দর্শক ও কর্তৃপক্ষের জন্য উন্মুক্ত (পাবলিক) থাকতে হবে। প্রতিযোগিতাটিতে মোট তিনটি রাউন্ড থাকবে এবং প্রতিটি রাউন্ড ঘোষণার তারিখ থেকে সময়সীমা হবে সাত দিন। এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে রবির ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে। https://www.facebook.com/RobiFanz/, website: https://www.robi.com.bd/en/personal/brand/stay-home-idea-challenge. এরপর ‘আইডিয়া ফর গুডনেস’ ট্যাবের আওতায় রবি চ্যাটবটের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের তাদের পোস্টের লিংকটিসহ নাম ও যোগাযোগের নম্বর জমা দিতে হবে। যে কোন মোবাইল অপারেটরের সেবা ব্যবহারকারী তরুণ ক্যাম্পেইনটিতে অংশ নিতে পারবেন। অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছর। অংশগ্রহণকারীদের জমা দেয়া আইডিয়াগুলো হতে হবে নতুন ও নিজস্ব ধারণাপ্রসূত এবং অন্য কোন ধারণার নকল হতে পারবে না। অন্য কেউ প্রতিযোগতার কোন ধারণা নিজের বলে দাবি করলে নির্দিষ্ট অংশগ্রহণকারীকে জবাবদিহি করতে হবে। কোন ধারণা নকল বলে প্রমাণিত হলে সাথে সাথে প্রতিযোগী অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। প্রতিযোগিতাটিতে মোট তিনটি রাউন্ড থাকবে এবং প্রতিটি রাউন্ড ঘোষণার তারিখ থেকে এগুলোর সময়সীমা হবে সাত দিন। পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে তারিখগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। প্রথম রাউন্ডটি ১৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। দ্বিতীয় রাউন্ডটি চলবে ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু করে ২ মে পর্যন্ত এবং তৃতীয় রাউন্ডের সময়সীমা ৪ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত। ক্যাম্পেইনের সময়সীমা অনুযায়ী ধারণা জমা দেয়া না হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ধারণাটিতে কেমন সাড়া পড়ে এর ওপর ৪০ শতাংশ এবং বিশেষজ্ঞ বিচারকদের মতামতে থাকবে ৬০ শতাংশ নম্বার। বিশেষজ্ঞ বিচারক প্যানেলের স্কোর নির্ভর করবে ধারণাটির প্রাসঙ্গিকতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা, মৌলিকতা, প্রভাব ও ডিজিটাল একীভূতকরণের ওপর।